ফ্লোরিডা থেকে:-

Fidel১.
গত সপ্তাহের শৈত্য প্রবাহটা শেষ হয়েছে। যদিও শরতের শেষ এবং গাছে গাছে পাতায় পাতায় রংয়ের খেলা চলছে, ফ্লোরিডায় রংয়ের অপচয় ম্যাপের উপরের রাষ্ট্র গুলো বা ইওরোপের তুলনায় কম। তা হোক শরৎ শরতই এবং সবচেয়ে বড় কথা বসন্তের মত আবহাওয়া । তাতানো গরম নেই , নেই জ্যাকেট বা ওভার কোট পড়ার শীত। রাস্তাগুলো কন্ক্রীট এসফাল্টের , তুষার এসে ঢেকে দেয়নি। আর ঝক ঝক করছে রোদ , ছোট ভাই বলল “চলেন ঘুরে আসি।”
ও ব্যাংক থেকে একটা বাড়ী কিনেছে ভাঙ্গা চুড়া , ঠিক ঠাক করে বিক্রি করবে । ওকালার দক্ষিন পশ্চিমে যেখান শুধু গাছ আর গাছ, মাঠ আর মাঠ , আর গরু , ভেরা, এমুর চাষবাস। মাঠ যেয়ে আকাশে মেশে, আকাশ যেয়ে কল্পনায়।

বাড়িটিতে এসে দেখলাম এক মস্তবড় কমলা গাছ , তার ডাল পালা ঝুলে পড়েছে কয়েকশ কি হাজার কমলায়। গাঢ হলুদ, টসটসে কমলা। কি তার ঘ্রান!
কিছু গাছের তলায় পড়েছে হাওয়ার দোলায়। নির্জন বাড়ী। কমলা ছিঁড়ে খাবার মানুষ নেই। আসে পাশে আছে কিন্তু এই দেশে কেউ অন্যের বাড়ীর কমলা তুলে নেবার মত হাভাতে নয়। কেউ একজন শখ করে গাছটি লাগিয়েছিল কোন একদিন, শখ করে বানিয়েছিল বাড়ী। তারপরে হয় মারা গেছে, নয় দেউলিয়া হয়ে বাড়ী ফেলে চলে গেছে , ব্যাংক নিয়ে বিক্রি করেছে তাদের টাকা উদ্ধার করার জন্য।  কিন্তু জীবন ও জগতের জটিলতায় আবদ্ধ হয়ে কমলা গাছটি তার দায়িত্ব ভোলেনি । ফল বহন করছে , কার জন্য সে নিজেও জানেনা।
তাকে যে রোপন এবং যত্ন করে বড় করেছে সে কি তার কথা কিছু জানে? তার কি সেই মানুষটির কথা মনে পড়ে ?

কৈশোরে এবং যৌবনে একটি ন্যায্য সমাজকে আমার এই ফলভারে নত কমলালেবু  গাছটির মত মনে হত, যেখানে এতবেশী উৎপাদন ও প্রাচুর্য্য থাকবে যে কেউ , যা তার নয় , ছুয়েও দেখবেনা। মানুষের অভাব থাকবেনা, শোষন থাকবেনা, জীবন নিরাপদ হবে, লেখক লিখবে, শিল্পী ছবি আঁকবে, গায়ক গাইবে, সাংবাদিক সত্য সংবাদ পরিবেশন করবে। ইওটোপিয়ান এই সমাজটিকে আমরা বলেছি বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক সমাজ।
কিছু কিছু মানুষ , শুধু আমাকে নয় , তাদের নিজেকে এবং আমার মত লক্ষ কোটি স্বপ্নচারী মানুষকে এমন একটা বোধের রামধনুতে হাঁটতে শিখিয়েছিলেন।

আমাদের পাশের যারা এই স্বপন্চারিতায় অংশ নিতে চায়নি আমরা তাদের বিভিন্ন বিশেষনে ডেকেছি এবং আমরা যে সঠিক  এ ব্যাপারে আমাদের কোন সন্দেহ ছিলনা।

২.
কৈশোরে স্কুলে ভুগোল পাঠের ক্লাশে হিমালয় পর্বতের পাশাপাশি ককেশিয়া, পামির, এন্ডিজ , রকি ইত্যাদি ইত্যাদি পর্বতের নাম শুনেছি, আর ক্লাশের বাইরে শুনেছি সেই পর্বতদের মত কিছু মানুষের নাম লিন্কন, লেনিন, স্ট্যালিন, হোচি মিন , মাও , চে আর ফিদেল ক্যাস্ট্রোর কথা। আরও অনেক নাম নিশ্চয়ই শুনেছি কিন্তু এই নাম গুলো ছিল সবচেয়ে পরিচিত । ফিদেল ক্যাস্ট্রো ছিলেন এই তালিকায় একমাত্র জীবিত এবং আমাদের কল্পনার রাজপুত্র। বললাম রাজপুত্র যদিও তিনি ছিলেন  প্রলেতারিয়েত মানে গরীবের নেতা।
তিনি আমেরিকার নাকের ডগায়, মাত্র ৯০ মাইল দূরে মানবতা মুক্তির মশাল জ্বালিয়েছেন এবং সমস্ত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সিআইএর সমস্ত হত্যা প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে মাথা উঁচু করে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে প্রমান করে দিয়েছেন যে সত্যের পক্ষে থাকলে , সচেতন হলে আর জনগনের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে বুড়ো আঙ্গুল না দেখালে টিকে থাকা সম্ভব।

পরবর্তী সময়ে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের মোড়লের মৃত্যু হলে ফিদেলের কিউবার মৃত্যু অনিবার্য ছিল কিন্তু দেখা গেল তিনি তাও প্রতিহত করতে পেরেছেন । ফিদেল আজ , নভেম্বর ২৬, ২০১৬ সালে ৯০ বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

৩.
গ্রীক পুরানে “তিউমেসিয়ান ফক্স ” নামে এক মস্তবড় শেয়াল ছিল যার ওপরে জিউসের বর ছিল যে সে কোনদিন ধরা পড়বেনা। থীবির রাজা ক্রেওন অ্যামফিট্রিওন নামে এক বীরকে  এই শিয়াল হত্যা করার দায়িত্ব দেয়। অ্যামফিট্রিওন ছিল বুদ্ধিমান ,সে “লেলাপ্স” নামের যে ম্যাজিকাল কুকুরটিকে জিউস উপহার দিয়েছিলেন ইওরোপাকে তাকে আনতে পাঠায় । লেলেপ্স ছিল জিউসের বর প্রাপ্ত যে ,সে যাকেই ধাওয়া করবে তাকেই ধরতে পারবে, সে শিকারে কোনদিন ব্যর্থ হবেনা।
এতে একটি সমাধানহীন প্যারাডক্সের সৃষ্টি হয় : একদিকে শেয়াল যে কখনও ধরা পড়বেনা অন্যদিকে কুকুর যে কখনই শিকারে ব্যর্থ হবেনা।
জিউস নিজে যখন অসম্ভব এই পরিস্থিতি বুঝতে পারেন এর সমাধান হিসেবে তিনি শেয়াল এবং কুকুর দুজনকেই পাথরে পরিণত করে আকাশে Canis Major( Lealaps) এবং Canis Minor ( the Teumessian fox) নামে জোতিস্ক মন্ডলী তৈরী করে দেন।
৪.
মানব সমাজে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মেধাবী, পরিশ্রমী , সাহসী এবং রিস্ক নিতে সক্ষম মানুষেরাই অসাধ্য সাধন করে থাকেন। এদের হাতে সমাজের সম্পদ কুক্ষিগত হয়। তারা অন্যদের শোষন করেন । অন্যেরা তাদের জন্য সম্পদ তৈরী করে এবং নিজেরা তার ছিটেফোটা মাত্র পায়। সমাজ এভাবে ধনী গরীবে বিভাজিত হয়।

(আজকের দিনে অবশ্য প্রথম বিশ্ব, ২য় বিশ্ব এবং বিশেষ করে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ কুক্ষিগত করাই হচ্ছে প্রধান পথ। তবে রাস্ট্র ইচ্ছে করলে এদের থামাতে পারে , ইচ্ছে না করলে গলাবাজি করা যায় , কিন্তু তাতে সমাজের লাভ হয়না।)

রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর সমস্ত শিল্প কারখানা, জমি জমা, ব্যবসা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব করা হয়। এগুলো চালানোর দায়িত্ব আসে পার্টি নেতাদের ওপরে। যারা সারা জীবন জিন্দাবাদ মুর্দাবাদ এবং ভাঙ্চুর করে অভ্যস্ত এবং যাদের উৎপাদন, মেনেজমেন্ট কোন কিছুর অভিজ্ঞতা নেই তারা চাবুক আর বন্দুক হাতে কিছুদিনের জন্য উৎপাদনকে চালিয়ে নিতে সক্ষম হলেও ৬০ এর দশকেই সেই দেশে স্থবিরতা ( Stagnation) শুরু হয়। শুধু মাত্র তাই নয় , যুদ্ধ ও মহাকাশ ক্ষেত্রে বিশাল পরিমান সম্পদের খরচ হতে থাকে যার কোন রিটার্ন আসেনা । “রাষ্ট্রকে উন্নত সমাজতান্ত্রিক দেশ যেখানে পুঁজিবাদে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা বিলুপ্ত হয়েছে” বলে ঘোষনা করা হয়।

অথচ ১৯৮৩ সালের জুন মাসে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্লেনারী মিটিংয়ে আন্দ্রোপভ বলেন:
“সত্যি কথা বলতে কি , যে সমাজে আমরা বাস করি এবং পরিশ্রম করি ,তার গতিধারা , নিয়মাবলী বিশেষ করে অর্থনৈতিক , আমরা এখনও বুঝে উঠতে পারি নাই। তাই আমাদের এগুতে হচ্ছে , যাকে বলে  ইমপেরিকভাবে , সম্পূর্নভাবেই নন রেশনাল ট্রায়াল এবং এরর ” এর মাধ্যমে। উন্নত সমাজতন্ত্রর ঘোষনা দেয়াটা যে ছিল অবাস্তব কল্পনা মাত্র তা আন্দ্রোপভের এ বক্তব্যে খুব স্পষ্ট ভাবে বের হয়ে এসেছে।

কৃষিতে “কুলাক” নামে সম্পন্ন এবং অত্যন্ত “এফিশিয়েন্ট” কৃষক শ্রেনীকে হত্যা, দেউলিয়া ও দেশ ছাড়া করে বড় বড় সমবায় তৈরী করে যাদের হাতে কৃষি ব্যবস্থা ছেড়ে দেয়া হয় তারা যুগ যুগ ধরে ছিল শ্রম বিক্রেতা ( ভূমি দাস) । তারা মালিক যেভাবে বলেছে সেভাবে কাজ করেছে ,বাকী সময়টা হয় মদ নয় অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। তারা কোন দিন চিন্তা করেনি, কোনদিন ম্যানেজ করেনি, সৃজনশীলতা তাদের স্বভাব বিরুদ্ধ। তার ওপরে নিজেকে পার্টি নেতার চেয়ে বুদ্ধিমান দেখালে হয় গুলাগ নয় ফায়ারিং স্কোয়াড । কোন নেতা চাইবে যে তার সমবায়ে তার চাইতে বুদ্ধিমান কেউ থাকুক ?
তাই বিপ্লবপূর্ব কৃষিতে সয়ং সম্পূর্ণ এবং রপ্তানীকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিপ্লব পরবর্তী রাশিয়া ছিল কৃষিতে আমদানী কারী দেশ।

অথচ সেই কুশ্চেভের আমলেই খারকভ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থিনীতিবিদ লিবেরম্যান দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার বাস্তব চিত্রটি ব্যাখ্যা করে অবিলম্বে অর্থনৈতিক রিফর্ম করার পরামর্শ দেয়। কিন্তু তা না করে পার্টির “দেশপ্রেমিক” কুচক্রীর দল একটি ক্যু করে ক্রুশ্চেভকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে ব্রেজনেভ কে আনে। শুধু তাই নয় চেকেশ্লোভাকিয়ায় এমন একটি রিফর্ম শুরু হলে তা রক্তের গঙায় ভাসিয়ে দেয় ৬০ এর দশকের শেষ দিকে। তাদের ভয় চেকেশ্লোভাকিয়ার হাওয়া না সংক্রামিত হয় তাদের উন্নত সমাজতান্ত্রিক রাস্ট্রে।

ভাগ্যিস তাদের তেল ছিল যা বিক্রি করে আরো কিছুদিন চলা গেছে, কিন্তু পেরেস্ত্রোইকার শুরুতেই  ১৯৮৬ সালে যখন বিশ্ব বাজারে তেলের  দাম অর্ধেক হয়ে যায় তখন বোঝা যায় তাদের অর্থনীতির কি দেউলিয়া অবস্থা ।
৫.
ফ্লোরিডা একটি কিউবান অধ্যুষিত রাস্ট্র । এখানকার কিউবানরা ফিদেলের মৃত্যুতে খুশী হয়ে উৎসব শুরু করেছে। তারা ফিদেলকে ঘৃনা করে। বিপ্লবের পরে যারা ক্ষমতা ও ব্যবসা, বানিজ্য, জমি জমা, জমিদারী হারিয়েছে তারা সব এখানে। এ ছাড়া ও
যারা ফিদেলের সমালোচনা করেছে বা ফিদেলের সমাজতন্ত্রে থাকতে চায়নি,
যারা পালিয়ে বা নৌকায় চড়ে বা সাঁতার কেটে এখানে এসেছে তারা ফিদেলের মৃত্যুতে খুশী হবে এতে অবাক হবার কিছু নেই। আমি কামনা করি তারাই সত্যিকারের কিউবার প্রতিনিধি নয়।

আমি কিউবায় যাইনি কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নে থেকেছি। কিউবায় ফিদেল ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন , যতদূর জানি  খানেও সোভিয়েত স্টাইলের সমাজতন্ত্র তৈরী হয়েছে ( আগে অন্য স্টাইল ছিলনা, সুতরাং তাই হওয়াই স্বাভাবিক ) , শুনেছি ওখানে শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্যের গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে ( সোভিয়েত ইউনিয়নের মতই, কিন্তু তারপরেও সোভিয়েত ইউনিয়ন টিকে থাকেনি) ।
কিন্তু তার পরেও মানুষ ওখান থেকে পালায়। কেন?
আসলেই মানুষ কেমন আছে সেখানে?
কথা বলতে পারে নির্ভয়ে? মানসিক হাসপাতালে  ঢুকানো হয়না?
জীবন নিরাপদ?
একটাও কিউবান কেন দেখিনা এখানে যারা ফিদেলের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে মাথা নত করে?

ক্ষুধার্ত মানুষ ভাতের ( ভাত= অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান , শিক্ষা, চিকিতসা) নিশ্চয়তা পাবার সাথে সাথেই অন্য কিছু চাইবে , সোভিয়েত ইউনিয়ন একথাটা বেমালুম ভুলে গিয়েছিল, ফিদেলের কিউবা কি তা মনে রেখেছে?
ফিদেল কি তার দীর্ঘ সাহসী জীবনে একজনও দেশপ্রেমিক নেতা তৈরী করে যেতে পারেননি নিজের ভাই ছাড়া ?
ফিদেল ছোট ভাই রাউলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে ১০ বছর বেঁচেছেন। আজ ফিদেলের ৯০ বছর এবং রাউলের ৮৫ , এবং রাউল আজও সমাজতান্ত্রিক কিউবার ক্ষমতায়।

এটা কি নরমাল যে ক্ষমতা শুধু মাত্র পারিবারিক ভাবেই হস্তান্তরিত হবে? বহুক্ষেত্রে জয়ী হয়েও এখানে কি ফিদেল পরাজিত হয়েছেন অন্যান্য সব ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট নেতাদের মত? আর জীবন মোহের এক জায়গায় যিনি পরাজিত হন, অন্য জায়গায় কি ঘটে?

৮৫ বছরের একজন বৃদ্ধ কতটুকু সক্ষম রাস্ট্র চালাতে? কয়টি নিউরন জীবিত ও সৃজনশীল থাকে একজন ৮৫ বছর বয়স্কের মাথায় ?

শুধু মাত্র বৃদ্ধেরাই কি সমাজতন্ত্রের ধারক ও বাহক ? তরুন নেতৃত্ব সমাজতান্ত্রিক রাস্ট্রে অস্পৃশ্য ?
৬.
সমাজতন্ত্রে গনমানুষের কল্যান , মানবতার মুক্তির প্রতিশ্রুতি এবং নেতৃত্বের ব্যক্তিগত ক্ষমতালিপ্সা, স্বৈরাচার , অন্যায় ও দুইমুখী নীতির সাথে সেই প্রাচীন গ্রীসের “তিউমেসিয়ান ফক্স ” ও ম্যাজিকাল ডগ “লেলেপ্স” এর মত সমাধানহীন কোন কন্ট্রাডিকশন আছে কি?

আমাদের সময়কার স্বপ্নজাগানিয়া পুরুষ , বিশ্ব মানবতা মুক্তির আইকন ফিদেল কে এই প্রশ্নগুলো করা হয়ে উঠলোনা।
খুব কাছেই তো ছিলেন, কিন্তু …

এই সব প্রশ্ন থাকা সত্যেও ফিদেল আপনি সাহস ও আলোর পথ দিশারী। মানব জাতি ঠিকই তার মুক্তির পথ খুঁজে নেবে এবং আপনাকে সেই মৃত্যুহীন পথপ্রদর্শকদের তালিকায় রাখবে ।
এবং অবশ্যই মানুষ প্রাচীন গ্রীসের সেই “কুকুর ও শেয়ালের” কন্ট্রাডিকশনের বের করে আনবে জিউসের চেয়েও সুন্দর সমাধান  ।

নভেম্বর ২৬, ২০১৬

আপনার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন